Skip to main content

দেখুন কীভাবে হিন্দু ব্লগাররা সরলমনা মুসলমানদের ইমান ধ্বংস করছে।

অাস্সালামু অালাইকুম।#Momenshahi version এ অাপনাদের স্বাগতম। অাজ অামি সাখাওয়াত জংজঙ্গি হাজির হয়েছি নতুন একটি পোস্ট নিয়ে।দেখুন কীভাবে হিন্দু ব্লগাররা সরলমনা মুসলমানদের ইমান ধ্বংস করছে।শুধু ব্লগেই তারা ক্ষ্যান্ত হয়নি ফেসবুকেও মিথ্যাচার করা শুরু করেছে।তাই সরলমনা মুসলমানদের সাবধান করতেই অাজকে এই পোস্ট লেখা।তাহলে চলুন জেনে নিই তাদের মিথ্যাচারগুলি। এরই সাথে অামি সাখাওয়াত জঙ্গি চেষ্টা করছি তাদের দাঁতভাঙা জবাব দিতে।
ফেসবুকে ও ব্লগে ব্লগার হিন্দুদের বহুল প্রচলিত মিথ্যাচার ভরা একটি পোষ্ট, যেটায় তারা দাবী করে যে, তাদের ধর্মগ্রন্থ ভগবত গীতা যারা যারা অনুবাদ করেছে তারা সকলেই নাকি হিন্দু ধর্ম গ্রহন করেছে, কিন্তু মুসলিমদের কোরান অনুবাদকারী গিরিশচন্দ্র ইসলাম গ্রহন করেনি। এটা দ্বারা তারা বোঝাতে চায় হিন্দু ধর্মগ্রন্থ পড়ে মানুষ আকৃষ্ট হয়ে হিন্দু ধর্ম গ্রহন করে, কিন্তু কোরান পড়ে তা হয় না। আসুন তাদের মিথ্যাচারগুলো দেখি। ➤প্রথম মিথ্যাচার, সর্বপ্রথম শ্রীমদ্ভগবত গীতাকে উর্দু ভাষায় অনুবাদ করেন মোহাম্মদ মেহেরউল্লাহ । পরবর্তীতে তিনি ধর্মান্তর হয়ে হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করেন । ➟জবাবঃ সর্বপ্রথম ভগবত গীতাকে উদু ভাষায় মেহেরউল্লাহ অনুবাদ করেন নি, এটা করেন আনোয়ার জালালপুরি। তবে মেহেরউল্লাহ হোক বা জালালপুরি, এদের কেউই হিন্দু ধর্ম গ্রহন করেন নি। উর্দু অনুবাদক আনোয়ার জালালপুরি একজন উর্দু কবি, এবং আরবী, সংস্কৃত ও ইংরেজী ভাষার স্কলার। তিনি হিন্দু মুসলিম বন্ধন তৈরি করতে গীতা ও কোরান উর্দুতে অনুবাদ করেন, কিন্ত তিনি নিজে কখনোই হিন্দু ধর্ম গ্রহন করেন নি।  আর মোহাম্মদ মেহেরউল্লাহ তিনি হিন্দু ধর্ম গ্রহন ত দূরে থাক, তিনি গীতাই অনুবাদ করেন নি। প্রথমিক জীবনে তিনি খ্রিষ্টান মিশনারীদের দ্বারা খানিকটা আকৃষ্ট হন, তবে পরবর্তীতে তাদের ভন্ডামী ধরতে পেরে তাদের বিরুদ্ধে লেখালেখি শুরু করেন। তিনি ছিলেন খ্রিষ্টান মিশনারীদের অপততপরতার বিরুদ্ধে একজন মুসলিম আন্দোলনকারী লেখক।  ➤ দ্বিতীয় মিথ্যাচার, সর্বপ্রথম গীতাকে আরবি ভাষায় অনুবাদ করেন একজন প্যালেস্টাইনী যার নাম এল ফাতে কমানন্ডো ।যিনি পরবর্তীতে জার্মানীতে ইসকনের সাথে যোগ দিয়ে হিন্দু হয়ে যান। ➟জবাবঃ ফাতেহ কমান্ড নামে কারো কোন অস্তিত্বই নেই। গীতা আরবীতে প্রথম অনুবাদ করে ওসমানীয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কলারগন। কলকাতার একজন ধনী ব্যাবসায়ীর অনুরোধে তারা এই কাজে হাত দেয়। এবং সেখান থেকে কেউই হিন্দু ধর্ম গ্রহন করেনি। ➤ তৃতীয় মিথ্যাচার, সর্বপ্রথম ইংরেজী ভাষায় গীতাকে অনুবাদ করেন চার্লস উইলিকনস্ ।যিনি পরবর্তীতে বলেন সব ধর্ম ধ্বংস হয়ে যাবে কিন্তু হিন্দু ধর্মই একমাত্র টিকে থাকবে । ➟জবাবঃ চার্লস উইলিকিনস গীতা অনুবাদ করেছেন ঠিকই কিন্তু তিনি কখনোই হিন্দু ধর্ম গ্রহন করেন নি, আর সব ধংস হবে কিন্তু হিন্দু ধর্ম টিকে থাকবে এরকম কোন কথা তিনি আদৌ বলেছেন কিনা কোন প্রমান বা রেফারেন্স নেই। আর যদি বলেই থাকেন তো তিনি নিজে কেন হিন্দু ধর্ম গ্রহন করেন নি? ➤ চতুর্থ মিথ্যাচার, সর্বপ্রথম ইসরাইলের হিব্রু ভাষায় গীতাকে অনুবাদ করেন বেজাশিটায়ন ল ফন্হ । পরবর্তীতে তিনি ভারতে এসে হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করেন । ➟জবাবঃ শত সার্চ করে বেজাশিটায়ন নামে কাউকেই পেলাম না গুগলে। হিব্রু ভাষায় গীতা অনুবাদ করেন Immanuel Olsvanger , তিনি একজন জিওনিষ্ট। তিনি কখনোই হিন্দু ধর্ম গ্রহন করেন নি।  ➤ পঞ্চম মিথ্যাচার, সর্বপ্রথম রুশ ভাষায় গীতাকে অনুবাদ করেন নভিকভ ।যিনি পরবর্তীতে কৃষ্ণ ভক্ত হয়ে যান ➟জবাবঃ ডাহা মিথ্যা কথা, নভিকভ রুশ ভাষায় গীতা অনুবাদ করলেও কখনোই হিন্দু ধর্ম গ্রহন করেন নি বা কৃষ্ণভক্ত হন নি।  এবার আসি গিরিশচন্দ্র প্রসংগে। কোরানের বাংলা অনুবাদ প্রসংগে বহুল্ প্রচলিত একটি ভুল তথ্য হচ্ছে এর প্রথম বাংলা অনুবাদক গিরিশচন্দ্র সেন। প্রকৃতপক্ষে গিরিশচন্দ্রেরও ৮০ বছর আগে কোরান প্রথম বাংলায় অনুবাদ করেন মাওলানা আমীরউদ্দিন বসনিয়া। গিরিশচন্দ্রের কোরান অনুবাদের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল বাংলার মুসলিমদের মধ্যে হিন্দু ধর্ম প্রচার, পুরো কোরানকে তিনি ব্রাক্ষনবাদের মোড়কে লিখেছেন। আল্লাহর পরিবর্তে লিখেছন ঈশ্বর। তাই তার উদ্দেশ্য সহজেই অনুমেয়। আর এদের জন্যই কোরান লিখেছে, "তারা মূক, বধির ও অন্ধ। সুতরাং তারা ফিরে আসবে না।" (২:১৮) তবে যুগে যুগে বহু কোরান অনুবাদকারীই কোরান অনুবাদ করতে যেয়ে ইসলামের সত্যতা বুঝতে পেরে ইসলাম কবুল করেছেন, ➽ Abdel Ghani Malera স্পানিশ ভাষায় কোরান অনুবাদ করেন এবং ইসলামের সত্যতা অনুধাবন করে ১৯৭৯ সালে ইসলাম গ্রহন করেন। ➽ Muhammad Asad হিব্রু ভাষায় কোরান অনুবাদ করেন এবং ইহুদি ধর্ম থেকে ইসলাম গ্রহন করেন,  ➽ marmaduke pickthall ইংরেজী ভাষায় কোরান অনুবাদ করেন এবং এরপর খ্রিষ্টান ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম গ্রহন করেন। তার অনুবাদ কোরানের সেরা ৬ ইংরেজী অনুবাদ মধ্যে অন্যতম।

Comments

Popular posts from this blog

বেদ মানুষের সৃষ্টি (প্রমাণ সহ)

অাসসালামু অালাইকুম।অাশা করি অাল্লাহর রহমতে ভালোই অাছেন।অাল-হামদুলিল্লাহ,অামিও ভালো অাছি  #Momenshahi vversion এ অাপনাদের অাবারও স্বাগতম।অাজ অাবারও নতুন এক পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি অামি মুহা. সাখাওয়াত  জংজঙ্গী।অাজকে অামি অাপনাদের সামনে একটি প্রমাণ উল্লেখ করব যে বেদ স্রষ্টার সৃষ্টি নয় মানুষের সৃষ্টি। জানি অাপনারা তা বিশ্বাস করবেন না তাই অামি এর জন্য নিচে দুইটি প্রমাণ উল্লেখ করব।                                        **প্রমাণ ১:বেদ-এ বৈজ্ঞানিক ভুল রয়েছে**                 বেদ বলছে পৃথিবী স্থিরঃ ১। “Oh Man ! He who made the trembling earth static is Indra.” (Rig Ved 2/12/12) অর্থঃ দেব ইন্দ্র পৃথিবী কে স্থির রেখেছেন। ২। “The God who made the earth stable” (Yajur Ved 32/6) অর্থঃ ঈশ্বর এই পৃথিবীকে স্থির রূপে তৈরি করে...

উগ্র হিন্দুত্ববাদী এক ব্লগারের পোস্টের জবাব।

অাসসালামু অালাইকুম।#Momenshahi version এ অাপনাদের অাবারও স্বাগতম।অাজ অাবারও নতুন এক পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি অামি সাখাওয়াত জংজঙ্গি।অাজকে অামি www.jewelaich.blogspot.com এর মালিক এক উগ্র হিন্দু ব্লগারের পোস্টের জবাব দিতে চাই।তিনি তার পোস্টে অামার নবীকে কীভাবে অপমান ও সরলমনা মুসলমানদের বিভ্রান্ত করেছে তা দেখতে তার লেখা পোস্টটির কিছু অংশ পরুন। তিনি বলেছেন: সবগুলোর যুক্তি খণ্ডন যদি মুসলমানরা করতে পারে ইসলাম গ্রহন করে আমি মুসলমান হয়ে যাবো। কাপুরুষের মতো পেছন থেকে ছুরি মেরে আইডি ব্লক করার জন্য রিপোর্ট না করে পুরুষ হওয়ার জন্য তোদেরকে একটা সুযোগ দিলাম, চেষ্টা করে দ্যাখ। অনেকেই জানেন যে, কাবা একসময় মন্দির ছিলো এবং তাতে ৩৬০টি দেব-দেবীর মূর্তি ছিলো, কুরাইশদের সাথে ১০ বছরের যুদ্ধবিরতি চুক্তি থাকা সত্ত্বেও, মাত্র ২ বছরের মাথায় সেই চুক্তি ভঙ্গ ক’রে, কুরাইশদেরকে কোনো পূর্ব সিগন্যাল না দিয়ে অর্থাৎ কুরাইশদের অপ্রস্তুত অবস্থায়, মুহম্মদ জনশক্তির জোরে প্রথমে রাতের বেলা মক্কা আক্রমন ক’রে কাবা দখল করে এবং পরদিন নিজের হাতে কাবার মধ্যে থাকা মূর্তিগুলো ভেঙ্গে ফেলে। এই ৩৬০টি দেব-দেবীর মধ্যে প্রধান দেবতা ছিল...

নামাজের বৈজ্ঞানিক উপকারীতা

অাসসালামু অালাইকুম।#Momenshahi Version এ অাপনাদের অাবারও স্বাগতম।মহান অাল্লাহর একটি অফুরন্ত নিয়ামত হলো নামায।তাই অামি সাখাওয়াত জংজঙ্গি নিয়ে এসেছি নামায সম্পর্কিত একটি পোস্ট।এই পোস্টে অামি অাপনাদের সাথে নামাযের বৈঙ্গানিক উপকারিতা নিয়ে অালোচনা করব। নামাজের বৈজ্ঞানিক উপকারীতা: ১) নামাজে যখন সিজদা করা হয় তখন আমাদের মস্তিস্কে রক্ত দ্রুত প্রবাহিত হয়। ফলে আমাদের স্মৃতি শক্তি অনেক বৃদ্ধি পায়। ২) আমরা যখন নামাজে দাঁড়াই তখন আমাদের চোখ যায় নামাজের সামনের ঠিক একটি কেন্দ্রে বা সিজদাহর জায়গায় স্থির অবস্থানে থাকে, ফলে মনোযোগ বৃদ্ধি পায়। ৩) নামাজের মাধ্যমে আমাদের শরীরের একটি ব্যায়াম সাধিত হয়। এটি এমন একটি ব্যায়াম যা ছোট বড় সবাই করতে পারে। ৪) নামাজের মাধ্যমে আমাদের মনের অসাধারন পরিবর্তন আসে। ৫) নামাজ মানুষের দেহের কাঠামো বজায় রাখে। ফলে শারীরিক বিকলাঙ্গতা লোপ পায়। ৬) নামাজ মানুষের ত্বক পরিষ্কার রাখে। যেমন, ওজুর সময় আমাদের দেহের মূল্যবান অংশগুলো পরিষ্কার করা হয়; এর ফলে বিভিন্ন প্রকার জীবানু হতে আমরা সুরক্ষিত থাকি। ৭) নামাজে ওজুর সময় মুখমণ্ডল ৩ বার ধৌত করার ফলে আম...