Skip to main content

মুরতাদ কাকে বলে ও কী কারনে মানুষ মুরতাদ হয়।

অাসসালামু অালাইকুম।#Momenshahi Version এ অাপনাদের অাবারও স্বাগতম ।অাজ অাবারও নতুন একটি গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি অামি সাখাওয়াত জংজঙ্গী।অাজকে অামরা জানব মুরতাদ কাকে বলে ও কী কারনে মানুষ মুরতাদ হয়।
মুরতাদ কাকে বলে?
মুরতাদ শব্দের শাব্দিক অর্থ হল- বিমুখ হয়েছে বা ফিরে গিয়েছে এমন। এর মূল মর্ম হল ইসলাম ত্যাগ করা বা ইসলামের কোন মৌলিক আকিদা বা বিধানকে মানতে অস্বীকার করা, বিংবা তার প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করা অথবা ইসলামের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো বিষয়ের অবমাননা করা, যা অন্তরের ভক্তিশূন্যতা ও শ্রদ্ধাহীনতার আলামত বহন করে।
এককথায় ঈমান বিনষ্টকারী যে কোন কুফরী-শিরকী আকিদা বা বিশ্বাস পোষণ করা, অথবা এ জাতীয় কোনো কথা বা কাজে লিপ্ত হওয়ার নামই হল “মুরতাদ হওয়া”।
সূত্র- মাসিক আল কাউসার।
 
কী কী কারণে ব্যক্তি মুরতাদ হয়ে যায়?
 
যে সব কারণে ব্যক্তি মুরতাদ হয়ে যায় এর বিভিন্ন কারণের মধ্যে হতে নিম্নোক্ত কয়েকটি কারণ উল্লেখ কারা হলো।
§  আল্লাহ তায়ালার শানে বেয়াদবি করা।
§  ইসলামের শিআর তথা প্রতিকসমূহ যেমন- কুরআন মাজীদ, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ইলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর সাহবীগণ, বিভিন্ন ইবাদত যথা- নামায, রোযা, হজ্ব-যাকাত , দোয়া-রুরুদ, বিভিন্ন ফযীলতপূর্ণ স্থান যথা- মসপিদের নববী, কারা শরীফ, মসজিদে আকসা এবং পৃথিবীর সকল মসজিদ ইত্যাদির প্রতি অবমাননা করা।
§  ইসলামের কোনো বিধান, ইসলামের সঙ্গে সম্পর্কিত সাধারণ কোনো বিষয়, নবীজীর কোনো সুন্নত, এমনকি প্রমাণিত কোনো মুস্তাহাব আমল ইত্যাদির প্রতি অবজ্ঞাসূচক বাক্য ব্যবহার করা অথবা অবজ্ঞা-প্রকাশক কোনো আচরণ করা। যেমন- কুকুরের মাথায় টুপি পরানো, বোরকাকে বেশ্যার পোশাক বলা হত্যাদি।
§  জরুরিয়াতে দ্বীন তথা সর্বজনবিদিত অকাট্য দ্বীনী বিষয়সমূহের কোনো একটি অস্বীকার করা, অপছন্দ করা, বা তার অপব্যাখ্যা করা অপছন্দ করা, বা তার অপব্যাখ্যা করা, অথবা তার উপর আপত্তি তোলা কিংবা তা সংস্কারযোগ্য বলে মনে করা। যেমন খতমে নবুওত অস্বীকার করা, চুরির শাস্তির উপর আপত্তি করা ইত্যাদি।
§  ইসলাম ত্রাগ করে অন্য কোনো ধর্ম গস্খহণ করা বিংবা কোনো ধর্মই না মানা। যেমন আল্লাহকে বিশ্বাস না করা, প্রকৃতিবাদী হওয়া, খৃস্টান বা তাদের ভাষায় ‘ঈসায়ী মুসলমান’ হওয়া ইত্যাদি।
§  এমন কোনো কাজ করা বা বিশ্বাস পোষণ করা, যা আল্লাহ তাআলার তাওহীদ পরিপন্থী। যেমন- কোনো প্রতিকৃতির সামনে মাথা নত করা, মাজার তাওয়াফ করা, উপায়-উপকরণের উর্ধ্বের বিষয়ে আল্লাহ তাআলার সঙ্গে কাউকে বিযিকদাতা, ফসলদাতা, সন্তানদাতা ইত্যাদি মনে করা।
§  অন্যদের ধর্মীয় প্রতীক গস্খহণ করা, কথা বা কাজে এর প্রতি ভক্তিশ্রদ্ধা প্রকাশ করা।
§  ইসলামী শরীয়ত তথা আল্লাহ রব্বুল আলামীনের হাকিমিয়্যত কে অস্বীকার করা। অর্থাৎ- জীবনের সর্বস্তরে আল্লাহ তাআলা হালাল-হারাম, সিদ্ধ-অসিদ্ধ নির্ধারণকারী এবং তিনিই যে একমাত্র বিধানদাতা তা বিশ্বাস না করা ইত্যাদি।
সূত্র- মাসিক আল কাউসার।

Comments

Popular posts from this blog

হিন্দুধর্মের কিছু বৈজ্ঞানিক ভুল।

অাসসালামু অালাইকুম।#momenshahi version এ অাপনাদের অাবারও স্বাগতম।অাবারও নতুন একটা পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি অামি সাখাওয়াত জংজঙ্গি। হিন্দু ধর্মের কিছু বৈজ্ঞানিক ভুল দেওয়া হইলো।আমাদের এক ভাই আমাদের এই বিষয়ে হেল্প করছে।আর সবাই এই গীতা-বেদ-রামায়ন খুইজা এর ভুল গুলা বাইর করা শুরু করেন বেদ বলছে পৃথীবি স্থিরঃ ১। “Oh Man ! He who made the trembling earth static is Indra.” (Rig Ved 2/12/12) অর্থঃ দেব ইন্দ্র পৃথিবী কে স্থির রেখেছেন। ২। “The God who made the earth stable” (Yajur Ved 32/6) অর্থঃ ঈশ্বর এই পৃথিবীকে স্থির রূপে তৈরি করেছেন। ৩। “Indra protects the wide earth which is immovable and has many forms ” (Atarv Ved 12/1/11) অর্থঃ ইন্দ্রা এই বিশাল পৃথিবীকে স্থির রেখেছেন। আমরা জানি পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘুড়ছে। কিন্তু বেদ বলে সূর্য ঘোড়ার গাড়ির উপর রয়েছে ও এই ঘোড়ার গাড়িটি ৭টি ঘোড়া চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছে এবং পৃথিবীর চারদিকে ঘুড়ছে। ১। “Sun is full of light and knows all the human beings, so his horses take him to sky to look at the world” (Rig Ved 1/50/1) অর্থঃ সূর্য আলোর আধার এবং সকল মানব সম্প্রদায় ...

বেদ মানুষের সৃষ্টি (প্রমাণ সহ)

অাসসালামু অালাইকুম।অাশা করি অাল্লাহর রহমতে ভালোই অাছেন।অাল-হামদুলিল্লাহ,অামিও ভালো অাছি  #Momenshahi vversion এ অাপনাদের অাবারও স্বাগতম।অাজ অাবারও নতুন এক পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি অামি মুহা. সাখাওয়াত  জংজঙ্গী।অাজকে অামি অাপনাদের সামনে একটি প্রমাণ উল্লেখ করব যে বেদ স্রষ্টার সৃষ্টি নয় মানুষের সৃষ্টি। জানি অাপনারা তা বিশ্বাস করবেন না তাই অামি এর জন্য নিচে দুইটি প্রমাণ উল্লেখ করব।                                        **প্রমাণ ১:বেদ-এ বৈজ্ঞানিক ভুল রয়েছে**                 বেদ বলছে পৃথিবী স্থিরঃ ১। “Oh Man ! He who made the trembling earth static is Indra.” (Rig Ved 2/12/12) অর্থঃ দেব ইন্দ্র পৃথিবী কে স্থির রেখেছেন। ২। “The God who made the earth stable” (Yajur Ved 32/6) অর্থঃ ঈশ্বর এই পৃথিবীকে স্থির রূপে তৈরি করে...